1. news@patiyaralo.com : patiyar alo : patiyar alo
  2. admin@www.patiyaralo.com : news :
শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
শামসুল হুদা ও বদিউল আলম মজুমদারের সমালোচনায় সিইসি সংসদে নির্বাচন কমিশন বিল পাস বোয়ালখালী থানার পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার আটককৃত আসামী ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ বোয়ালখালী প্রেসক্লাবকতৃক সংবর্ধিত হলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ ৩ মানবতার স্বাস্থ্য সেবক বিশ্ববাজারে যাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি মোবাইল হ্যান্ডসেট সিনিয়র ছাত্রকে থাপ্পড়, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী বহিষ্কার স্বর্ণ এবং এলুমিনিয়ামের তৈরি বিশ্বের সর্ববৃহৎ কুরআনের প্রদর্শনী দুবাইতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে শাবি শিক্ষার্থীদের শপথ মালয়েশিয়ায় পুলিশকে ঘুষ সাধায় বাংলাদেশিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা টোঙ্গার আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ ছিল পরমাণু বোমা থেকে কয়েকশ’ গুন শক্তিশালী

বদলে যাওয়ার গল্প বললেন পেসার ইবাদত

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের আগে ১০ ম্যাচে নিয়েছিলেন মাত্র ১১ উইকেট। সেই ইবাদত হোসেনের এক ম্যাচে শিকার ৭ উইকেট। এর মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসেই ৬টি। বাজে বোলার থেকে ইবাদত হয়ে গেলেন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের কারিগর। কীভাবে পাশার দান উল্টে দিলেন তিনি? ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে দেয়া সাক্ষাতকারে সেই গল্পই বলেছেন এই পেসার।

টেস্টের চতুর্থ দিনেও ১৪০ প্লাস গতিতে বল করেছেন ইবাদত। কীভাবে সম্ভব হয়েছে এটা? ইবাদত বলেন, ‘ফিট থাকলে একজন ফাস্ট বোলারের পক্ষে যেকোনো কিছু করা সম্ভব। ফিটনেসই পেসারদের প্রধান বিষয়। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে চারটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ আমার প্রস্তুতির অংশ ছিল।

ওই চার ম্যাচ দিয়ে আমি আমার শারীরিক ফিটনেসের উন্নতি করার পাশাপাশি মানসিক জুজুও কাটাতে চেয়েছিলাম। আমার মনে হয় পাকিস্তানের বিপক্ষেও আমি ভালো বল করেছি।’

নিউজিল্যান্ডে গিয়ে ১০ দিনের কোয়ারেন্টিন পালন করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। যদিও কোয়ারেন্টিন করার কথা ছিল ৩ দিন। এই দশ দিন রুমেই আবদ্ধ ছিলেন ইবাদতরা। তবে বিসিবি তাদের জন্য স্টেশনারি সাইকেল ও ফ্লেক্স-বারের ব্যবস্থা করে। ইবাদত বলেন, ‘নিজেকে ফিট রাখতে আমি দিন রাত খেটেছি। কন্ডিশনিং কোচ নিক লি এবং ফিজিও বায়েজিদ ভাইও আমাদের অনেক সহায়তা করেছেন। এতে আমাদের ৬ জন ফাস্ট বোলারই ফিট ছিল।’

গত দুই বছর ধরে বোলিং কোচ ওটিস গিবসনের সঙ্গে কাজ করছেন ইবাদত। তার বদলে যাওয়ার পেছনে কোচের অবদান অকপটেই স্বীকার করলেন ইবাদত। তিনি বলেন, ‘‘২০১৯-এ টেস্ট অভিষেক সত্ত্বেও আমি উল্লেখযোগ্য কিছু করে দেখাতে পারিনি। এ নিয়ে কম সমালোচনা হয়নি। গত দুই বছর ধরে ফাস্ট বোলিং কোচ ওটিস গিবসনের সঙ্গে কাজ করছি। তিনি সবসবময় আমাকে উৎসাহ দিয়ে গেছেন। আমাকে বলেছেন, ‘উইকেটের দুই পাশেই সুইং করানোর সামর্থ্য আছে তোমার। তুমি বল রিভার্স করতে পারো।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তোমার রিলিজ পয়েন্টই সবচেয়ে ভালো। তোমার সবই আছে, শুধু আত্মবিশ্বাসটা নেই। যেদিন তোমার ভেতরে আত্মবিশ্বাস জন্মাবে সেদিনই তুমি হবে দেশের সেরা বোলার।’ তিনি আমার বোলিংয়ের সবকিছুই পাল্টে দিয়েছেন। আগের বোলিং অ্যাকশনে পরের স্পেলগুলোতে বেশি শক্তি ক্ষয় হতো। গিবসন আমার অ্যাকশন পাল্টে দিয়েছেন। যেভাবে কম শক্তি ব্যয় করে বেশি জোরে বল করা যায় সেটি শিখিয়েছেন। আমার অ্যাকুরেসিও উন্নতি হয়েছে। তিনি টিম মিটিংয়ে বলেছেন, ‘আমি আজ পারফেক্ট ইবাদতকে দেখতে পাচ্ছি। সে বুঝতে পেরেছে তাকে কী করতে হবে। এখন সে তার বোলিংকে আরো উন্নতির পথে নিয়ে যাবে।’ আমাদের অধিনায়কও (মুমিনুল) সবসময় আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমাকে সহযোগিতা করেছে।’’

নিজের বাজে বোলিং এভারেজ নিয়ে অসুখী ছিলেন ইবাদত। তবে ধৈর্য হারাননি। তিনি বলেন, ‘আমি চাই কারো টেস্ট ক্যারিয়ারের শুরুটা আমারটার মতো না হোক। আমি অনেক ভুগেছি। গিবসনকে বলতাম, ‘কোচ, একটা উইকেটও সহজভাবে আসছে না। প্রতিটা উইকেটের জন্যই আমাকে খুব খাটতে হচ্ছে। মাঝে মাঝে এমনও হচ্ছে ১৭ কিংবা ২২ অথবা ৩৩ ওভার বল করার পরে একটা উইকেট পাচ্ছি। এমনও টেস্ট গেছে আমি শুধু একটা উইকেট পেয়েছি।’ তিনি শুধু হেসে উত্তর দিতেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে স্বাগতম। তুমি একজন বাংলাদেশি ফাস্ট বোলার। কন্ডিশন তোমার অনুকূলে নয়। বছরে কয়টা টেস্ট খেলো তুমি? কাজেই সুযোগের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করো।’ ধৈর্যই টেস্ট ক্রিকেটের মূল। এই কারণেই এটাকে টেস্ট ক্রিকেট বলা হয়। এটা বোলার ও ব্যাটার উভয়েরই পরীক্ষা নেয়। টেস্ট খেলা মোটেও সহজ নয়।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত